গঠনতন্ত্র সংশোধন-২০১৪

পটভূমিকা

তদানিন্তন ভারতবর্ষে বৃটিশ উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা কায়েম থাকাকালে অঞ্চল ভিত্তিক প্রশাসনিক স্তর বিন্যাসের মাধ্যমে ১৮৪২ সালে বর্তমান খুলনা জেলাধীন এলাকা লইয়া খুলনা মহাকুমা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরবর্তীতে সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট মহাকুমাকে খুলনা জেলার অন্তর্ভূক্ত করে ১৮৮২ সালে খুলনা জেলার জন্ম হয়।বাস্তবিক অর্থে ১৮৮৩ সালের ১৫ ই এপ্রিল জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা’র কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হইলেও মূলত: পূর্বে প্রতিষ্ঠিত মহাকুমা আইনজীবী সমিতির ধারাবাহিক উত্তরণ হিসাবে জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা’র প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা’র সাংগঠনিক ও সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রনের জন্য সমিতির জন্মলগ্ন থেকে একটি নীতিমালা বা পরিচালনা বিধি অনুসরণ করা হইলেও উহার মাধ্যমে সমিতির ক্রমবর্ধমান সদস্যবৃন্দের পেশাগত সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি, উদ্ভূত নানাবিধ সমস্যা সমাধান, সাংগঠনিক ও আরিথক ভিত্তির উন্নতি বিধান সর্বোপরি সমিতির যাবতীয় কর্মকাণ্ড সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার মোদ্যমে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে যথেষ্ঠ অনুভূত না হওয়ায় সমিতির বিজ্ঞ সিনিয়র সদস্যবৃন্দের অনুপ্রেরণায় ও মতামতের ভিত্তিতে ১৯৭৫ ইসাব্দে স্বাধীন বাংলাদেশে জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা’র জন্য একটি গঠনতন্ত্র পুণর্লিখিত হয় এবং ১৯৭৬ ইসাব্দে সমিতির সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়। পরবর্তীকালে সময়ের বিবর্তনে সমিতির সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে উদ্ভুত সমস্যা দূরীকরণার্থে গঠনতন্ত্রের কিছু বিধি-বিধান পরিবর্তন, পরিবর্ধন পূর্বক ১৯৮৮, ১৯৮৯, ১৯৯৪, ২০০৫, ২০০৯, ২০১২ ও ২০১৩ ইসাব্দে সমিতির সাধারণ সভায় অনুমোদনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র সংশোধিত হয়। বর্তমানে সমিতির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি, সদস্যবৃন্দের কল্যাণে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান ও সমিতির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জাতীয় অঙ্গনে সমিতির কৃতিত্বপূর্ণ অবদান ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম আইনজীবী সমিতিতে পরিণত হইয়াছে। ফলশ্রুতিতে অত্র সমিতির সম্মান, সমৃদ্ধি বৃদ্ধির সাথে সাথে সমিতির সার্বিক ব্যবস্থাপনা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে সমিতির বর্তমান গঠনতন্ত্রের কিছু বিধানাবলী সময়োপযোগী করার আবশ্যকতা অনুভূত হয়। সে লক্ষ্যে গঠনতন্ত্র সংশোধন উপ-কমিটি গঠনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট সংশোধনী প্র্স্তাবাবলী সমিতির ১৫/০১/২০১৪ তারিখের সাধারণ সভায় বিস্তারিত আলোচনা ও বিবেচনান্তে অনুমোদিত হয়। সাধারণ সভায় অনুমোদিত সংশোধনীসমূহ গঠনতন্ত্রে সন্নিবেশিত করিয়া সমিতির গঠনতন্ত্র এতদ্বারা ‍পুণঃমুদ্রিত হইল।

গঠনতন্ত্র সংশোধনী উপ-পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, কার্যনির্বাহী পরিষদ এবং সংশোধনীসমূহ গঠনতন্ত্রে সন্নিবেশিত করার জন্য দায়িত্বশীল ও কষ্টসাধ্য দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষভাবে সমিতির বিজ্ঞ সিনিয়র সদস্য এডভোকেট এম আমীর আলী সহ অন্যান্য সিনিয়র সদস্যবৃন্দকে জানােই গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অজস্র ধন্যবাদ।

এডভোকেট মোল্লা মোঃ মাসুম রশীদ
সাধারণ সম্পাদক-২০১৪
জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা্।

গঠনতন্ত্র

জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা।
স্থাপিতঃ ১৮৮৩ ইসাব্দ
প্রস্তাবনা

১৮৮৩ সনে প্রতিষ্ঠিত অত্র সমিতির যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রনের জন্য অনুভূত সমস্যা দূরীকরণার্থে অভিজ্ঞতার আলোকে ইতোপূর্বে বহুবার সমিতির গঠনতন্ত্র পুণর্লিখিত ও সংশোধিত হইয়াছে। গঠনতন্ত্র সর্বশেষ পুণর্লিখিত হইয়াছে ১৯৭৫ ও ১৯৮৮ সনে। ১৯৮৮ সনে গৃহীত সংবিধান সর্বশেষ সংশোধিত হইয়াছে ১৯৮৯, ১৯৯৪, ২০০৫, ২০০৮, ২০০৯, ২০১২ ও২০১৩ সনে। ইতোমধ্যে অনুভূত সমস্যাদী নিরসনার্থে অবিলম্বে অত্র সমিতির গঠনতন্ত্র সংশোধন করিবার আবশ্যকতা অনুভূত হওয়ায় সাধারণ সভা কর্তৃক ০১/১০/২০১৩ তারিখ একটি গঠনতন্ত্র সংশোধন উপ-কমিটি গঠন করিয়া উপ-কমিটির বিজ্ঞ সদস্যগণের নিকট হইতে প্রাপ্ত প্রস্তাবাবলী এবং সমিতির কয়েকজন নিয়মিত সিনিয়র সদস্যগণের সহিত আলোচনাক্রমে সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদে উক্ত সংশোধনী প্রস্তাবগুলির মধ্যে কিছু সংশোধন পূর্বক ২৩/১২/২০১৩ তারিখ সমিতির সাধারণ সভায় উত্থাপিত হয়। উক্ত সভায় পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ২০১৪ সালের বাজেট সভায় প্রস্তাবিত সংশোধনী উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গঠিত গঠনতন্ত্র সংশোধনী উপ-পরিষদ কর্তৃক প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলি ১৫/০১/২০১৪ তারিখের বাজেট সভায় সংশোধিত আকারে অনুমোদিত হয়। সংশোধিত দফাগুলি ০১/০১/২০১৪ তারিখ থেকে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে।

১। নামঃ ১৮৮৩ সালের এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখে প্রতিষ্ঠিত এই সমিতির নাম জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা। অতঃপর এই গঠনতন্ত্র সমিতির গঠনতন্ত্র বলিয়া উল্লেখিত হইবে। সমিতির একটি সাধারণ সিল থাকিবে। ইহা একটি বডি কর্পোরেট হইবে। ইহার নামে কিম্বা ইহার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে। সমিতির পক্ষে কোন মোকদ্দমা পরিচালনার এবং আইনগত ব্যবস্থার প্রয়োজন হইলে এবং সমিতির বিপক্ষে কোন মোকদ্দমা হইলে তাহাও সমিতির পক্ষে পরিচালনার দায়িত্ব সমিতির সাধারণ সম্পাদকের উপর থাকিবে। এই সমিতির দপ্তর খুলনা জেলার সদর দপ্তরে, কোর্ট রোডে (বর্তমান এডঃ মঞ্জুরুল ইমাম সড়ক) যে স্থানে বর্তমানে অবস্থিত সেখানেই অবস্থিত থাকিবে। অত্র সমিতির পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণ সম্পাদক যে কোন আইনজীবী নিযুক্ত করিতে পারিবেন। তবে সাধারণ সম্পাদক জরুরি প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে অত্র সমিতির পক্ষে আইনজীবী নিযুক্ত করিতে পারিবেন।

২। সংগাঃ
(ক) সমিতির অর্থ- “জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা।”
(খ) সদস্য- বলিতে যাহারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পাওনাসহ জেলা আইনজীবী সমিতি, খুলনা’র বাৎসরিক চাঁদা নিয়মিতভাবে পরিশোধ করিয়াছেন, তাহাকে বুঝাইবে। শর্ত থাকে যে, যদি কোন সদস্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর পাওনাসহ সমিতির বাৎরিক চাঁদা পরপর ৪ (চার) বৎসর প্রদান না করেন তবে তাহার সমিতির সদস্যপদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হইবে।পরবর্তিতে উক্ত ব্যক্তি গ্রহণযোগ্য কারণ দর্শাইয়া পুণরায় সমিতির সদস্য হওয়ার আবেদন জানাইলে, তাহাকে সমিতির নূতন সদস্য ভর্তির নিয়মানুসারে সদস্যভূক্ত করা যাইবে। সেক্ষেত্রে নূতনভাবে সদস্যভূক্তির তারিখ হইতে তাহার সিনিয়রিটি গণণা করা হইবে এবং ওকালতনামায় তাহার নাম সংশোধিত নূতন অবস্থানে লিখিত হইবে।

৩। সদস্য অন্তর্ভূক্তিঃ
ক) নিম্নলিখিত শর্ত সাপেক্ষে এই সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভূক্ত সকল আইনজীবীগণ এই সমিতির সদস্য হইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন, যদি-
(১) তিনি অন্য কোন পেশা, ব্যবসায় কিম্বা চাকুরিতে নিয়োজিত না থাকেন।
(২) তিনি নৈতিক বা চারিত্রিক অধঃপতন জনীত কারণে কোন সরকারি কিম্বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের চাকুরি হইতে অপসারিত ব্যক্তি নহেন।
(৩) সদস্য হইবার জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদে নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত করেন।
খ) (১) প্রত্যেক সদস্যই ভর্তি ফি বাবদ এককালীন ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা প্রদান পূর্বক চাঁদা প্রদানকালে সমিতির নির্ধারিত ফরম পূরণ করিবেন।
(২) প্রত্যেক সদস্যই ২০০/- (দুইশত) টাকা বাৎসরিক চাঁদা “নিজ দায়িত্বে” “স্ব-উদ্যোগে” প্রদান করিবেন। উক্ত চাঁদার টাকা পূর্ববর্তী বৎসরের ৩১ শে ডিসেম্বরের আগে কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে জমা দিতে হইবে।
(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে তিনি উক্ত চাঁদা জমা দিতে ব্যর্থ হইলে তবে তাহার সদস্যপদ ২(খ) দফার বিধান মতে ৪ (চার) বৎসর সময়কাল পর্য়ন্ত এবং ৩(খ)(৩) দফায় বর্ণিত বিধান মতে বিলম্ব ফিসসহ সমুদয় বকেয়া চাঁদা প্রদান না করা পর্য়ন্ত স্থগিত হইয়া যাইবে।

গঠনতন্ত্রের ৩(খ)(২) দফা অনুযায়ী কোন সদস্য বাৎসরিক চাঁদা স্বাভাবিক নিয়মে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইলে, পরবর্তীতে ১ম বৎসরের বকেয়া চাঁদা ঐ বৎসর ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করা হইলে প্রতি মাসের জন্য অতিরিক্ত ১০/- (দশ) টাকা হিসাবে বিলম্ব ফিস, ২য় বৎসরের ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া বাৎসরিক চাঁদা পরিশোধের ক্ষেত্রে, ১ম ও ২য় বৎসরের সমুদয় বকেয়া চাঁদাসহ প্রতি মাসের জন্য অতিরিক্ত ১৫/- (পনের) টাকা হিসাবে বিলম্ব ফিস, ৩য় বৎসরের ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া চাঁদা পরিশোধের ক্ষেত্রে, ১ম, ২য় ও ৩য় বৎসরের সমুদয় বকেয়া চাঁদাসহ প্রতি মাসের জন্য অতিরিক্ত ২০/- (বিশ) টাকা হিসাবে বিলম্ব ফিস, ৪র্থ বৎসরের ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া চাঁদা পরিশোধের ক্ষেত্রে, ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ বৎসরের সমুদয় বকেয়া চাঁদাসহ প্রতি মাসের জন্য অতিরিক্ত ২৫/- (পঁচিশ) টাকা হিসাবে বিলম্ব ফিস পরিশোধ করা হইলে তাহার স্থগিতকৃত সদস্যপদ আপনা-আপনি বহাল হইবে। কোন সদস্যের নিকট পাওনা বকেয়া চাঁদার আংশিক গ্রহণযোগ্য হইবেনা।

তবে শর্ত থাকে যে, কোন সদস্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পাওনাসহ সমিতির সকল চাঁদা প্রতি বৎসরের ৩১ শে মার্চের মধ্যে পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইলে, তাহার নাম সমিতির ঐ বৎসরের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হইবেনা এবং ঐ বৎসরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে প্রার্থী অথবা ভোটার হইতে পারিবেন না।

(৪) ফিসের হার সমিতির বাজেট অধিবেশনে প্রয়োজনবোধে পরিবর্তন করা যাইবে।
(৫) সমিতির নিয়মিত পেশাজীবি কোন অসচ্ছল সদস্যের যেকোন অসুস্থতার জন্য বা জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে বৎসরে এককালীন বা কিস্তিতে অনধিক ২০০০/- (দুই হাজার) টাকা প্রদানের জন্য সমিতির একটি সাহায্য তহবিল থাকিবে। সমিতিরি প্রত্যেক সদস্য বাৎসরিক চাঁদা প্রদানকালে বৎসরে ১০০/- (একশত) টাকা হারে সাহায্য তহবিলে চাঁদা প্রদান করিবেন। কোন অবস্থাতেই সাহায্যের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকার বেশি প্রদান করা যাইবেনা এবং অত্র সংক্রান্তে কোন তলবী সভা আহবান করা যাইবেনা, করিলেও কার্য়নির্বাহী পরিষদ ৩ সদস্য সমন্বয়ে একটি উপ-পরিষদ গঠন করিয়া দিবে এবং উপ-পরিষদ সুপারিশ করিলে সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেক্ষে ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা প্রদান করা যাইবে।
৪। একটি নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের মাধ্যমে সমিতির প্রাত্যহিক কার্যাদী তথা সামগ্রিক ব্যবস্থাদী পরিচালিত হইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যকাল হইবে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এক বছরের জন্য।
৫।(ক) কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হইবে একজন সভাপতি, দুইজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন যুগ্ম সম্পাদক, একজন লাইব্রেরি সম্পাদক, একজন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং সাতজন সদস্য সমন্বয়ে।
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতি পদপ্রার্থীর (অন্যূন ১৫ বৎসর), সহ-সভাপতি পদপ্রার্থীর (অন্যূন ১৫ বৎসর), সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীর (অন্যূন ১২ বৎসর), যুগ্ম সম্পাদক পদপ্রার্থীর (অন্যূন ৮ বৎসর), লাইব্রেরি সম্পাদক এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদপ্রার্থীর (অন্যূন ৫ বৎসর) এবং সদস্য পদপ্রার্থীর (অন্যূন ২ বৎসর) কাল অত্র সমিতির সদস্য হিসাবে নিয়মিত প্রাকটিসের অভিজ্ঞতা থাকিতে হইবে।
(খ) সহ-সভাপতিদ্বয় এবং সদস্যদের মধ্যে যিনি সমিতির সদস্য হিসাবে জ্যেষ্ঠ তিনি অগ্রাধিকার পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
৬। পরবর্তী বৎসরের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন প্রত্যেক পূর্ববর্তী বৎসর শেষ হওয়ার ৪০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে। তবে অনিবার্য্য কারণে সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উহার পরবর্তী অন্য দিনেও নির্বাচন করা যাইবে।
৭। শূন্য পদ পূরণঃ
মেয়াদকালের মধ্যে সভাপতির পদ শূন্য হইলে সিনিয়র সহ-সভাপতি শূন্য পদের জন্য ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে তাহার দায়িত্ব পালন করিবেন। সিনিয়র সহ-সভাপতির পদও শূন্য হইলে একইভাবে অন্য সহ-সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন। তাহাদের সকলেরই পদ শূন্য হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সর্বাপেক্ষা সিনিয়র সদস্য ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত কার্য সম্পাদন করিবেন।
৮। মেয়াদকালের মধ্যে সাধারণ সম্পাদকের পদ শূন্য হইলে যুগ্ম সম্পাদক সাধারণ সম্পাদকের কার্যাবলী সম্পাদন করিবেন। সাধারণ সম্পাদক এবং যুগ্ম সম্পাদক উভয়ের পদ শূন্য হইলে বিভাগীয় সম্পাদকের মধ্যে যিনি পেশায় জ্যেষ্ঠ তিনি সাধারণ সম্পাদকের কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন করিবেন এবং সেক্ষেত্রে তিনি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে পরিচিত হইবেন।
৯। কার্যনির্বাহী পরিষদে কোন সদস্যের পদ শূন্য হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কো-অপশান দ্বারা শূন্য পদ পূরণ করা যাইবে।
১০। কর্মকর্তা ও সদস্যদের অপসারণঃ কার্যনিবাহী পরিষদের কোন কর্মকর্তা কিম্বা সদস্যকে অপসারণ করা যাইবে, যদি তিনি কর্তব্য ও দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে অসদাচারণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন কিম্বা পেশাগত অসদাচারণের দায়ে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হন।
১১। কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন কর্মকর্তা কিম্বা সদস্যকে যদি ১০ নং দফায় বর্ণিত কারণে অপসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় তাহা হইলে ১২ নং দফায় বর্ণিত বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে।
১২। অনাস্থাঃ
গঠনতন্ত্রের কোন বিধান লংঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, সমিতির স্বার্থ ও সুনামের পরিপন্থি অথবা সমিতির জন্য ক্ষতিকর কর্মের অভিযোগে মোট সদস্যের মধ্যে কমপক্ষে ১/৩ অংশ সদস্য কোন কর্মকর্তা কিম্বা সদস্যের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব আনিতে পারিবেন এবং এ সভায় উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ৩/৪ অংশের সম্মতিতে অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করিতে হইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ভিন্ন অন্য সকল কর্মকর্তা ও সদস্যের বিরুদ্ধে আনীত অনাস্থা প্রস্তাব সাধারণ সম্পাদকের নিকট দাখিল করিতে হইবে।
সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনীত অনাস্থা প্রস্তাব সভাপতির নিকট দাখিল করিতে হইবে।
সভাপতির বিরুদ্ধে আনীত অনাস্থা প্রস্তাব সিনিয়র সহ-সভাপতির নিকট দাখিল করিতে হইবে।
অনাস্থা প্রস্তাব প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে উক্ত প্রস্তাব বিবেচনার্থে যাহার নিকট প্রস্তাব দাখিল হইবে তিনিই সমিতির সাধারণ সভা আহবান করিবেন।
সভার তারিখের ১৫ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করিতে হইবে। সমিতির মোট সদস্যের মধ্যে কমপক্ষে ১/৩ অংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হইবে। সভায় উপস্থিত সদস্যগণের মধ্যে ৩/৪ অংশের ভোটে গৃহীত সিদ্ধান্ত কার্যকর হইবে।
১৩। সভাঃ বৎসরে কমপক্ষে ২টি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হইবে। একটি হইবে সমিতির বাজেট অনুমোদনের জন্য এবং অন্যটি কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যাবলী ও হিসাব নিকাশ পর্যালোচনার জন্য।
এতদ্ব্যতীত কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনবোধ করিলে যেকোন সময়ে সাধারণ সভা আহবান করিতে পারিবেন। পূর্ববর্তী সাধারণ সভার কার্য বিবরণী অনুমোদনের জন্য পরবর্তী সাধারণ সভায় পেশ করিতে হইবে। সমিতির বাৎসরিক আয়-ব্যয় হিসাব নিরিক্ষার জন্য রেজিস্টার্ড অডিট ফার্মের মাধ্যমে বহিঃস্থ পরিক্ষক (External Auditor) দ্বারা আয-ব্যয় পরিক্ষা-নিরিক্ষা করিবার পর যথাশীঘ্র সাধারণ সভা আহবান পূর্বক উক্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ সদস্যদের জ্ঞাত করাইয়া সাধারণ সভায় অনুমোদন করাইয়া লইতে হইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজন মনে করিলে Internal Audit করাইতে পারিবেন।
১৪। বাৎসরিক সাধারণ সভা অর্থাৎ বাজেট অনুমোদনের জন্য সাধারণ সভা জানুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যাবলী হিসাব নিকাশ পর্যালোচনার জন্য বাৎসরিক সাধারণ সভা ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে অনুষ্ঠিত হইবে।
১৫। তলবী সভাঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের যেকোন পাঁচ জন সদস্য সুনির্দিষ্ট আলোচ্য বিষয় উল্লেখ পূর্বক সাধারণ সম্পাদকের নিকট কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠানের নোটিশ দিতে পারিবেন।নেটিশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে তিন দিনের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা আহবান করিবেন। সাধারণ সম্পাদক সভা আহবান করিতে ব্যর্থ হইলে তলবকারী সদস্যগণ সভা আহবান করিতে পারিবেন। তবে উক্ত সভার কোন সিদ্ধান্তই কার্যকর হইবেনা যদি না তাহা কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তা ও সদস্যদের অন্যূন আট জন কর্তৃক সমর্থিত হয়। এই অনুচ্ছেদে সদস্য বলিতে কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তা ও সদস্যদের বুঝাইবে।
১৬।ক) সমিতির মোট সদস্যের শতকরা ৫ (পাঁচ) ভাগ সুনির্দিষ্ট আলোচ্য বিষয় উল্লেখ পূর্বক সাধারণ সম্পাদকের নিকট সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের নোটিস দিতে পারিবেন। উক্ত নোটিস প্রাপ্তির তারিখ হইতে সাত দিনের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক সমিতির সাধারণ সভা আহবান করিবেন। এইরূপ সাধারণ সভা বিশেষ সাধারণ সভা হিসাবে গণ্য হইবে। উহা গঠনতন্ত্রের ২১ নং অনুচ্ছেদ মোতাবেক অনুষ্ঠিত হইবে।
খ) সাধারণ সম্পাদক সাত দিনের মধ্যে সভা আহবান করিতে ব্যর্থ হইলে তলবকারী সদস্যগণ তলবী সভা আহবান করিতে পারিবেন। সেক্ষেত্রেও গঠনতন্ত্রের ২১ নং অনুচ্ছেদের বিধান প্রযোজ্য হইবে।
১৭। সমিতির সর্বপ্রকার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন সমিতির সভাপতি, সভাপতির অনুপস্থিতিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি, তাহার অনুপস্থিতিতে অন্য সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতিদ্বয়ের অনুপস্থিতিতে সভায় উপস্থিত আগ্রহী সদস্যগণের মধ্য হইতে পেশায় যিনি প্রবীণ তিনি সভাপতিত্ব করিবার জন্য মনোনীত হইবেন। উক্ত মনোনীত সদস্য সংশ্লিষ্ট সভায় সভাপতির সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন।
১৮। গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত বিষয় ভিন্ন অন্য যেকোন বিষয় সম্পর্কে সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত সিদ্ধান্ত কার্যকর হইবে। কোন বিষয়ে পক্ষে ও বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট হইলে সভাপতির কাস্টিং ভোটে বিষয়টি নিষ্পত্তি হইবে।
১৯।সাধারণ সভার কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্ত এবং কার্যনির্বাহী পষিদের সভার কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্ত স্বতন্ত্র বহিতে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে। যেকোন সভার সিদ্ধান্ত ঐ সভার সভাপতি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইবে। বিশেষ সাধারণ সভার কার্যবিবরণী সভাস্থলে লিখিত, পঠিত এবং সভাপতি কর্তৃক স্বাক্ষরকৃত হইবে।
২০। কোন সভার সিদ্ধান্ত ৩০ দিনের মধ্যে বাতিল বা পরিবর্তন করা যাইবেনা। তবে বিশেষ জরুরি পরিস্থিতিতে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে আহুত সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাহা করা যাইবে। কিন্তু এইরূপ সভার কোন সিদ্ধান্তই কার্যকর হইবেনা যদি না তাহা সভার উপস্থিত সদস্যগণের ২/৩ সংখ্যক সদস্যদের দ্বারা সমর্থিত হয়।
২১। কোরামঃ সভার কোরাম হইবে অন্যূন ৫০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে। বিশেষ সাধারণ সভার কোরাম হইবে তলবকারী সদস্যগণের ১/৩ অংশসহ অন্যূন ৫০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে। তবে সাধারণ কিম্বা বিশেষ সাধারণ সভা মূলতবী হইলে পরবর্তীতে কোরামের প্রয়োজন থাকিবেনা। কোরামের অভাবে তলবী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত না হইলে উহার আলোচ্য বিষয় প্রত্যাহৃত বলিয়া গণ্য হইবে।
২২। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার কোরাম হইবে কর্মকর্তা ও সদস্য মিলিয়া পাঁচ জনের উপস্থিতিতে। মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোরাম এর প্রয়োজন থাকিবেনা্।
২৩। সভা অনুষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তিঃ কোন সাধারণ সভা অথবা বিশেষ সভা আহবানের পূর্বে সাধারণ সম্পাদক সভাপতির সহিত আলোচনা করিয়া সাত দিনের নোটিস প্রদান করিবেন। কোন সদস্যের উপর এই নোটিস না জারি বা স্বল্প মেয়াদী জারি হইলেও ঐরূপ কোন সভার কার্যবিবরণী বে-আ্‌ইনী বা অকার্যকর হইবেনা।
২৪। কোন জরুরি বিষয়ের জন্য সাধারণ সম্পাদক সভাপতির সহিত পরামর্শ করিয়া স্বল্প সময়ের ব্যবধানে অনুরূপ কোন সভা আহবান করিতে পারিবেন। কোন জরুরি বিষয়ে সভা আহবানের জন্য সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে লিখিতভাবে অনুরোধ করিলে সাধারণ সম্পাদক অনতি বিলম্বে উক্ত সভা আহবান করিতে বাধ্য থাকিবেন। সাধারণ সম্পাদক উক্ত সভা আহবান না করিলে সভাপতি উক্ত সভা আহবান করিতে পারিবেন।
২৫। কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সভা আহবানের জন্য তিন দিনের নোটিস প্রদান করিতে হইবে। প্রকাশ থাকে যে, জরুরি ক্ষেত্রে সাধারণ সম্পাদক স্বল্প সময়ের নোটিশেও কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা আহবান করিতে পারিবেন। কোন নোটিশ না জারি বা স্বল্প মেয়াদী জারির জন্য অনুরূপ কোন সভার কার্যবিবরণী বেআইনী বা অকার্যকরী হইবেনা।
২৬। কর্মকর্তাদের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্যঃ সভাপতি, সাধারণ পরিষদ অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন। ঐসকল সভায় দিন ধার্য করণের ব্যাপারে এবং সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাহার আলোচনা করিবার অধিকার থাকিবে।
২৭। সভা পরিচালনার সময় সভাপতি কর্তৃক প্রদত্ত মিটিং সংক্রান্ত বা গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত কোন সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং সভায় তাহা প্রশ্নাতীত থাকিবে।
২৮। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি ১৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হইবেন এবং সভাপতির সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
২৯। সাধারণ সম্পাদকের সমিতির সকল বিষয় তদারকের, কার্যকর করার এবং আভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত ক্ষমতা থাকিবে।
৩০। সভাপতির পূর্ব অনুমোদন সাপেক্ষে সমিতির কর্মচারি নিয়োগ, কর্মচ্যুতি বা শাস্তি বিধান অথবা পারিতোষিক প্রদানের ক্ষমতা সাধারণ সম্পাদকের থাকিবে এবং তাহা কার্যনির্বাহী পরিষষদ দ্বারা অঅনুমোদিত হইবে। কিন্তু কোন জরুরি অবস্থায় সাধারণ সম্পাদক কোন কর্মচারিকে ১৫ দিন পর্যন্ত সাময়িক বরখখাস্ত করিতে পারিবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনকক্রমে এই সময় বর্ধিত করা যাইবে।
৩১। সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের সমিতির অর্থের উপর যৌথভাবে নিয়ন্ত্রণ থাকিবে। সাধারণ সম্পাদক সমিতির দৈনন্দিন বিষষয়াদীর জন্যও দায়ী থাকিবেন। সমিতির দৈনন্দিন সকল আয় ও ব্যয় সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে করিতে হইবে। দৈনন্দিন আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত হিসাবের জন্য সাধারণ সম্পাদক দায়ী থাকিবেন।সমিতির সভাপতি দৈনন্দিন আয় ব্যয় সংক্রান্তে সকল প্রকার দায়মুক্ত থাকিবেন।
৩২। সাধারণ সম্পাদক সভাপতির সহিত আলোচনা করিয়া অনুমোদনক্রমে বাজেটে প্রদত্ত সাধারণ ও চলতি ব্যয়ভারের দায়িত্ব বহন করিবেন। কিন্তু জরুরি অবস্থায় অথবা তাৎক্ষণিক বিষয়ে যাহা বাজেটে অনুমোদিত নয় তাহার জন্য কোন মাসে অনধিক ৫ শত টাকা ব্যয় করিতে পরিবেন। কিন্তু তাহা পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করিবেন।
৩৩। জরুরি অথবা তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে সাধারণ সম্পাদক যদি ৫ শত টাকার উর্দ্ধে খরচ করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন, যাহা বাজেটে উল্লেখ নাই, তাহা হইলে তিনি সুপারিশসহ নির্ধারিত ব্যয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করিবেন।

৩৪। সাধারণ পরিষদের প্রদত্ত শর্তাবলী ও বিধিমালা এবং নির্দেশিকা সাপেক্ষে সমিতির পক্ষে সাধারণ সম্পাদকের যেকোন চুক্তি করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ঐ চুক্তি সমিতির সদস্যগণের উপর বাধ্যকর হইবে।
৩৫। সাধারণ সম্পাদকের বা যুগ্ম সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে বিভাগীয় সম্পাদক দায়িত্ব পালন করিবেন এবং উক্ত বিভাগীয় সম্পাদকদ্বযের মধ্যে যিনি পেশায় প্রবীণ তিনিই সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন।
৩৬। সকল সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ কোন কার্যনির্বাহী সদস্যকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা অর্পণ করিতে পারিবেন।
৩৭। কোন সদস্যের বিরুদ্ধে বা পক্ষ হইতে অথবা ল’ক্লার্কদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ তিন সদস্য বিশিষ্টি একটি উপ-পরিষদ গঠন করিবেন, যাহা সালিশী পরিষদ হিসাবে গণ্য হইবে।উক্ত সালিশী পরিষদের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান থাকিবেন। ঐ পরিষদ কোন বিষয়ে তাহাদের সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট সুপারিশ আকারে পেশ করিবেন। উক্ত সিদ্ধান্ত অথবা প্রতিবেদন গৃহিত হইবার পর কার্যনির্বাহী পরিষদ উহার প্রেক্ষিতে ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
৩৮। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক গ্রন্থাগার সম্পাদকের সহিত ২ জন সদস্য মনোনয়ন দিয়া গ্রন্থাগার পরিষদ গঠন করিবেন এবং বিভাগীয় সম্পাদক গ্রন্থাগারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের জন্য দায়ী থাকিবেন। গ্রন্থাগার বিভাগ কার্যনির্বাহী পরিষদের যেকোন নির্দেশ মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবে।
৩৯। গ্রন্থাগার বা লাইব্রেরি সম্পাদক সদস্যদের নিকট গ্রন্থাগারের সরবরাহকৃত পুস্তক আদায়ের ব্যবস্থা করিবেন এবং উহা কোন কারণে ফেরত প্রদান না করিলে উহার সমকালীন বাজার মূল্যের দ্বিগুণ মূল্য আদায়ের ক্ষমতা থাকিবে এবং প্রয়োজনে তিনি পুস্তক গ্রহীতা সদস্যের পরবর্তী বৎসর হইতে সনদ নবায়ন স্থগিত রাখিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৪০। সাধারণ সম্পাদক সমিতির ব্যয়ের দায়িত্বে থাকিবেন এবং তিনি তাহার হিসাব-নিকাশ নিশ্চিত করিবেন। তিনি ইহাও নিশ্চিত করিবেন যে, উক্ত হিসাব গঠনতন্ত্রের বিধান অনুসারে হইয়াছে। দৈনন্দিন হিসাব সাধারণ সম্পাদকের দ্বারা পরীক্ষিত ও নিরীক্ষিত হইবে। কোন তলবানা ভাউচার সাধারণ সম্পাদকের দ্বারা সহিকৃত না হইলে কোন খরচ গ্রহণ করা যাইবেনা।
৪১। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম সম্পাদক পদাধিকার বলে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন এবং সাধারণ সম্পাদকের সকল ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করিবেন।
৪২। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের কার্যক্রম মাঝে-মাঝে সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হইবে।
৪৩। সমিতির সদস্যদের জন্য একটি কল্যাণ তহবিলের ব্যবস্থা থাকিবে যাহা কল্যাণ পরিষদ উপ-বিধির বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
৪৪। প্রভিডেন্ট ফান্ডঃ কর্মচারি সংক্রান্তঃ
সমিতির কর্মচারিদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম ও গ্রাচুইটির ব্যবস্থা প্রচলিত নিয়মানুসারে থাকিবে এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ উহা বাস্তবায়ন করিবেন।
৪৫।(ক) কোন সদস্য লাইব্রেরির কোন বই লাইব্রেরির বাহিরে লইয়া যাইতে পারিবেন না। তবে যদি কোন সদস্য লাইব্রেরির কোন বই সমিতি ভবনের মধ্যে দেখিতে চান বা পড়িতে চান সেক্ষেত্রে সেই সদস্য তাহার পুরা নাম, বাসার ঠিকানা দিয়া বা তাহার নামের সিল ও স্বাক্ষর দিয়া স্লিপ দিলে লাইব্রেরির পিয়ন বইটি তাহাকে দেখাইতে লইয়া আসিবেন এবং দেখার পর আবার ফেরত লইয়া যাইবেন বা প্রয়োজনে লাইব্রেরি হইতে চার্জ পরিশোধ করিয়া ফটোকপি করিয়া লইতে পারিবেন। এই বিধি কেহ ভঙ্গ করিলে লাইব্রেরি সম্পাদক উপ-পরিষদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আর্খিক দন্ড আদায় করিতে পারিবেন। তবে উক্ত দন্ড কোন অবস্থায় ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকার বেশি হইবেনা।
(খ) কোন সদস্য লাইব্রেরিতে ব্যাগ বা ফাইল যাহাতে পরিবহন করা যায় এমন কোন বস্তু লইয়া প্রবেশ করিতে পারিবেন না। ইহাছাড়া কোন সদস্য লাইব্রেরিতে বসিয়া বই পড়া ব্যতিত অন্য কোন কারণে অবস্থান করিতে পারিবেন না বা কোন সদস্য কোন মক্কেল বা তাহার কোন আত্মীয় স্বজন লইয়া লাইব্রেরিতে প্রবেশ করিতে পারিবেন না। সর্বোপরি লাইব্রেরির বিষয়ে লাইব্রেরি কমিটির সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পাইবে।
৪৬। বিলুপ্ত।
৪৭। বিলুপ্ত।
৪৮। বিলুপ্ত।
৪৯। বিলুপ্ত।
৫০। সমিতির কোন সদস্য বিভিন্ন আদালতে সমিতি কর্তৃক নির্ধারিত ওকালতনামা, জামিননামা, লেটার অব অথরিটি বা ফরমাদি ব্যতিত অন্য কিছু ব্যবহার করিবেন না। যদি কেহ এই ধারা লংঘন করেন তবে তাহাকে কার্যনির্বাহী পরিষদ আর্থিক দণ্ড প্রদান করিতে পারিবেন। প্রয়োজনে উক্ত আর্থিক দণ্ডের টাকা পরবর্তী বৎসরের সদস্যপদ নবায়নের সঙ্গে যোগ করিয়া আদায় করিতে পারিবেন।
৫১। সদস্যগণ সমিতির চেয়ার, টেবিল ও অন্যান্য আসবাবপত্র ব্যবহার করিতে পারিবেন। কিন্তু সমিতি ভবনের বাইরে লইতে পারিবেন না।
৫২। নির্দিষ্ট লাইব্রেরি ফিস পরিশোধ না করা পর্যন্ত কোন সদস্যই কোন মক্কেলের পক্ষে ওকালতনামা স্বাক্ষর করিবেন না।
৫৩। কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত লাইব্রেরি ফিস পরিশোধ ব্যতিত কোন ওকালতনামা যদি কোন আদালতে দাখিল করা হয় তবে যে সদস্য/সদস্যগণ উহা দাখিল করিবেন তিনি/তাহারা নির্দিষ্ট ফিস যদি কোন আদালতে দাখিল করা হয় তবে যে সদস্য/সদস্যগণ উহা দাখিল করিবেন তিনি/তাহারা নির্দিষ্ট ফিস ছাড়াও অতিরিক্ত দিগুণ ফিস দিতে বাধ্য থাকিবেন। সংশ্লিষ্ট সদস্যের উক্তরূপ কার্য অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে।
৫৪।(১) কোন সদস্য যদি উপযুক্ত আদালত কর্তৃক পেশাগত অসদাচরণে দোষী হন কিংবা যদি তিনি বারংবার সমিতির বিধি ভঙ্গের কারণে দোষী সাব্যস্ত হন কিংবা যদি তিনি সমিতির স্বার্থের পরিপন্থি কাজের জন্য দোষী প্রমাণিত হন কিংবা নৈতিকতা ও চারিত্রিক অধঃপতনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তাহার সদস্যপদ বাতিল অথবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা যাইবে। সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে উক্ত ব্যবস্থা সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে গ্রহণ করা যাইবে।
(২) সংশ্লিষ্ট সদস্যের প্রতি অভিযোগ উল্লেখপূর্বক কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক কারণ দর্শাইবার নোটিশ না দিয়া তাহার ‍বিরুদ্ধে উক্তরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদ সংশ্লিষ্ট সদস্যের বক্তব্য শুনিয়া এবং সাক্ষ্য প্রমাণ লইয়া যদি মনে করেন যে তাহার বিষয়টি সাধারণ পরিষদে পেশ করা প্রয়োজন, তবে কার্যনির্বাহী পরিষদ সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করিবেন এবং সাক্ষ্য প্রমাণ ও পরিষদের মতামতসহ উক্ত অভিযোগপত্র সাধারণ পরিষদে পেশ করিবেন। সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
৫৫। সংশ্লিষ্ট সদস্য যদি অনুতপ্ত হইয়া সাধারণ পরিষদের নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন তবে সাধারণ পরিষদ তাহাকে ক্ষমা করিতে কিংবা লঘু শাস্তি দিতে পারিবেন।
৫৬। সহযোগী সদস্যঃ অন্য আইনজীবী সমিতির কোন সদস্য এই সমিতির সহযোগী সদস্য হইতে পারিবেন, যদি তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ধার্য ফিস, চাঁদা ইত্যাদি প্রদান করেন। তবে কোন সহযোগী সদস্য সমিতির ভোটার হইতে পারিবেন না এবং লাইব্রেরির পুস্তকাদি লইতে পারিবেন না।
৫৭।(ক) অবশ্যই প্রত্যেক বৎসর নির্বাচন অনুষ্ঠানের অন্ততঃ ৪০ (চল্লিশ) দিন পূর্বে কার্যনির্বাহী পরিষদ সমিতির সদস্যদের মধ্য হইতে একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন সদস্য সমন্বয়ে নির্বাচনী পরিষদ গঠন করিবেন এবং কার্যনির্বাহী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করিবেন।
(খ) নির্বাচনী পরিষদ গঠনের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে তাহারা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করিবেন। উক্ত তালিকার বিরুদ্ধে কাহারো কোন আপত্তি থাকিলে প্রকাশের ৩ (তিন) দিনের মধ্যে নির্বাচনী পরিষদের নিকট লিখিত আপত্তি দাখিল করিবেন এবং আপত্তি ২ (দুই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করিতে হইবে। আপত্তি নিষ্পত্তির ২ (দুই) দিনের মধ্যে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করিবেন। তবে সমিতি হইতে চেম্বার ভাড়া গ্রহীতা সদস্যগণের কেহ চলতি বৎসরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রাপ্য চেম্বার ভাড়া অক্টোবর মাসের ৭ (সাত) তারিখের মধ্যে পরিশোধ না করিলে তাহার নাম ভোটার তালিকাভূক্ত হইবে না।
(গ) নির্বাচনী পরিষদ কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল পদের জন্য মনোনয়নপত্র আহবান করিবেন। মনোনয়নপত্র নির্বাচনী পরিষদের নির্ধারিত ফরমে এবং ফি প্রদানে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে দাখিল করিতে হইবে।
(ঘ) মনোনয়নপত্র প্রাপ্তির পরবর্তী দিনে নির্বাচনী পরিষদ প্রার্থীগণের পদওয়ারী তালিকা নোটিস বোর্ডে প্রকাশ করিবেন। সেইসাথে মনোনয়নপত্র বাছাই করিবার তারিখ এবং সময় ঘোষণা করিয়া দিবেন।
(ঙ) মনোনয়নপত্র বাছাই অন্তে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের তারিখ হইতে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের জন্য দুই দিন সময় প্রদান করিবেন।
(চ) নির্বাচনী পরিষদ কোন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করিলে তিনি উক্ত বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে দুই দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট আপিল করিতে পারিবেন। আপিল আবেদন প্রাপ্তির দুই দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদ আপিলের শুনানী করিবেন ও সিদ্ধান্ত দিবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত গণ্য হইবে। অতঃপর তিন দিনের মধ্যে নির্বাচনী পরিষদ প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করিবেন এবং চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(ছ) নির্বাচনী পরিষদ গঠনতন্ত্রের “ক” তফসিলে বর্ণিত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে নির্ধারিত তারিখে ভোট গ্রহণ করিবেন এবং একই বৈঠকে ফলাফল ঘোষণা করিবেন। “ভোট গণণাকালে কোন ব্যালটকে বিতর্কিত মনে হইলে ঐ ব্যালট সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচনী পরিষদকে গ্রহণ করিতে হইবে।”
নির্বাচনী পরিষদের ঘোষিত ফলাফল চুড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে। তবে কোন প্রার্থী আপত্তি করিলে ফলাফল ঘোষণার পূর্বেই একই বৈঠকে নির্বাচনী পরিষদ পুণরায় ব্যালট গণণা করিতে পারিবেন।
(জ) নির্বাচনী পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদ্বয় সংশ্লিষ্ট বৎসরের নির্বাচনে কোন পদে প্রার্থী হইতে পারিবেন না।
ঝ) একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট প্রাপ্ত হইয়া থাকিলে নির্বাচনী পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক পরিচালিত লটারি দ্বারা নিষ্পত্তি হইবে।
(ঞ) উপরিউক্ত বিষয়গুলি ব্যতিরেকে নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় প্রয়োজনবোধে সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত দ্বারা নিষ্পন্ন হইবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনিবার্য কারণে বাৎসরিক নির্বাচন না হইলে নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে সাধারণ সভা ডাকিয়া সভার সিদ্ধান্ত মতে পরিষদ গঠিত হইবে এবং উক্ত পরিষদ দ্বারা সমিতি পরিচালিত হইতে থাকিবে। তবে সাধারণ সভায় পেশায় ২০ (বিশ) বৎসরের উর্দ্ধে ১ (একজন) বিজ্ঞ সদস্যকে আহবায়ক ও ১ (একজন) বিজ্ঞ সদস্যকে সদস্য সচিব করিয়া এবং ৩ (তিনজন) সদস্য লইয়া মোট ৫ (পাঁচজন) সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করিতে হইবে। উক্ত কমিটি পরবর্তী বৎসরের জানুয়ারি মাসের ১ (এক) তারিখ হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন এবং অনধিক ১ (এক) মাসের মধ্যে নির্বাচন করাইতে বাধ্য থাকিবেন। উক্ত আহবায়ক কমিটি দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সমিতির দৈনন্দিন কার্য পরিচালনায় প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যয় করিতে পারিবেন। ব্যয় বিধি বহির্ভূত হইলে উক্ত কমিটি দায়ী থাকিবেন। আহবায়ক কমিটি উক্ত সময়ের মধ্যে নির্বাচন না করিতে পারিলে বা ব্যর্থ হইলে সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পন্ন হইবে।
৫৭।নির্বাচনী আচরণবিধিঃ
(ক) কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন ব্যক্তি ভোটের জন্য কোন আইনজীবীর বাড়িতে বা বার ভবনের বাইরে অবস্থিত চেম্বারে যাইতে পারিবেন না।
(খ) কোন প্রার্থী কোন প্রকার পোস্টার ছাপাইতে বা বিলবোর্ড প্রদর্শন করিতে পারিবেন না।তবে একমাত্র আত্ম-পরিচিতির উদ্দেশ্যে ছবিসহ সাদাকালো রংয়ের লিফলেট বা হ্যান্ডবিল বার অঙ্গনের মধ্যে প্রচার করিতে পারিবেন।
(গ) প্রার্থীর পরিচিতি ও তাহাদের নিজস্ব বক্তব্য প্রদানের জন্য নির্বাচন কমিশন বার অঙ্গনের মধ্যে বারের ব্যবস্থাপনায় একটি প্রোজেকশান মিটিং এর ব্যবস্থা করিবেন। প্রোজেকশান মিটিং এ আইনজীবী সদস্য ব্যতিত অন্য কেহ অতিথি হিসাবে বা কোন পরিচয়ে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না।
(ঘ) কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কেহ আইনজীবী সমিতির মধ্যে বা বাহিরে কোন প্রকার উপঢৌকন প্রদান করিতে পারিবেন না। শুধুমাত্র বার ভবনের মধ্যে আপ্যায়ন করিতে পারিবেন।
(ঙ) কোন প্রকার দলীয় বা গোষ্ঠীর নামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করিয়া কোন অনুষ্ঠান বা সভা আহবান বা অনুষ্ঠান করিতে পারিবেন না। শুধুমাত্র একটি সাদাকালো রংয়ের একটি প্যানেল ব্যবহার করিতে পারিবেন।
(চ) উপরিউক্ত বিধানাবলীর সহিত সামঞ্জস্যতা রাখিয়া নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনবোধে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নূতন বিধানাবলী সংশ্লিষ্ট বৎসরের অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের জন্য প্রয়োগ করিতে পারিবেন।
উল্লেখিত আচরণবিধির বিধানাবলী কোন প্রার্থী কর্তৃক লংঘিত হইলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের প্রেক্ষিতে বা অভিযোগ ছাড়াই নির্বাচন কমিশনের গোচরীভূত হইলে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশন ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা হইতে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করিতে পারিবেন। অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থী আলোচ্য অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে ৬ (ছয়) ঘন্টার মধ্যে সমিতির সভাপতির নিকট আপিল করিতে পারিবেন। সভাপতি আপিল বিবেচনা পূর্বক রুজুর ৬ (ছয়) ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করিয়া চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিবেন। দণ্ডিত প্রার্থী কর্তৃক জরিমানার টাকা সমিতির হিসাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে জমাদানের ব্যর্থতায় তাহার প্রার্থীতা বাতিল হইবে।
৫৮। সমিতির সাধারণ পরিষদ গঠনতন্ত্রের যেকোন ধারা সংশোধন কিংবা পরিবর্ধন কিংবা বাতিল করিতে পারিবে, তবে-
১) সংশোধন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন কিংবা বাতিল যাহাই হউক না কেন তৎসংক্রান্ত প্রস্তাব স্পষ্টভাবে উল্লেখ না হইলে উহার সম্পর্কে আলোচনা করা যাইবেনা।
২) এ ধরণের কোন প্রস্তাব মোট উপস্থিত সদস্যের কমপক্ষে ২/৩ অংশের সদস্যের সমর্থন না পাইলে উহা গৃহিত হইবেনা।
৫৯। কোন সদস্যের পক্ষে কিংবা কোন সদস্যের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দাখিল হইলে সাধারণ সম্পাদক কার্যনির্বাহী পরিষদের সহিত পরামর্শ পূর্বক বিষয়টি ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে গঠিত সালিশী কমিটির নিকট পাঠাইবেন। উক্ত অনুচ্ছেদে বর্ণিত কার্যক্রম অনুসারে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হইবে।
৬০। ল’ক্লার্ক বিষয়কঃ সমিতির সদস্যবৃন্দ নিয়োজিত ল’ক্লার্কগণের একটি তালিকা সমিতির অফিসে সংরক্ষণ করা হইবে। সদস্যগণ কর্তৃক স্ব-স্ব ল’ক্লার্কদের কোন অপসারণ কিংবা পরিবর্তন করা হইলে সঙ্গে সঙ্গে তাহা সাধারণ সম্পাদককে লিখিতভাবে জানাইতে হইবে। সাধারণ সম্পাদক তদানুযায়ী উক্ত তালিকা বহিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা সংশোধন করিবেন।
৬১। ল’ক্লার্কের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের গোচরীভূত হইলে এবং তাহা প্রমাণিত হইলে তাহা তালিকা বহিতে সংশ্লিষ্ট ল’ক্লার্কের নামের পার্শ্বে যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করা হইবে।
৬২। পেশাগত অসদাচরণের দায়ে কোন সদস্য কর্তৃক কোন ল’ক্লার্ক অপসারিত হইলে অন্য কোন সদস্য কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন ব্যতিরেকে তাহাকে ল’ক্লার্ক হিসাবে নিয়োগ করিতে পারিবেন না।
৬৩। ল’ক্লার্ক সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে থাকিবে।
৬৪। পূর্ববর্তী গঠনতন্ত্রের আওতায় ১৯৮৯ সালের জন্য নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ ১৯৮৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ চালাইয়া যাইবেন এবং অত্র গঠনতন্ত্র ১৯৮৯ সালের ১ লা জানুয়ারি হইতে কার্যকরী হইবে।
৬৫। বিশেষ বিধিমালাঃ এই গঠনতন্ত্র আইনজীবী সমিতি কর্তৃক কার্যকর হইবার পর অত্র সমিতির কোন সদস্য বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিলেট ডিভিশান, হাইকোর্ট ডিভিশান ও আয়কর আইনজীবী সমিতির সদস্য ব্যতিত অন্য কোন আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য হইয়া থাকিলে তিনি অত্র সমিতির সহযোগী সদস্য হিসাবে গণ্য হইবেন।
৬৬। এই সংশোধিত গঠনতন্ত্র কার্যকর হওয়ার দিন হইতে সমিতির পূর্ববর্তী গঠনতন্ত্র বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। কিন্তু পূর্ববর্তী গঠনতন্ত্রের আওতায় যেসকল কার্যক্রম গৃহিত হইয়াছে তাহা বৈধ বলিয়া গণ্য তাহা বৈধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং সমিতির যাবতীয় দায়-দায়িত্ব এই গঠনতন্ত্রের আওতায় কার্যনির্বাহী পরিষদের উপর বর্তাইবে।
৬৭। অত্র গঠনতন্তের যে যে ক্ষেত্রে সভাপতির অনুমতি বা পরামর্শের উল্লেখ করা হইয়াছে সে সে ক্ষেত্রে সভাপতির লিখিত অনুমতি বা পরামর্শ লইতে হইবে। তাহা না হইলে সভাপতির অনুমতি বা পরামর্শ লওয়া হয়নাই বলিয়া গণ্য হইবে।
৬৮। অত্র সমিতির ব্যাংকের হিসাব হইতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করিতে হইবে।

*****

তফসিল “ক”

তফসিল “ক”

পদের নাম প্রার্থীর নাম ভোট প্রদানের চিহ্ন (x)
সভাপতি
১। সহ-সভাপতি
২। সহ-সভাপতি
সাধারণ সম্পাদক
যুগ্ম সম্পাদক
লাইব্রেরি সম্পাদক
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক
সদস্য
১।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।

Table of Contents